ঢাকাSunday , 4 October 2020
  1. অপরাধ-দূনীর্তি
  2. আইন-আদালত
  3. আর্ন্তজাতিক
  4. কৃষি ও অর্থনীতি
  5. খেলাধুলা
  6. চিকিৎসা
  7. জাতীয়
  8. দেশজুড়ে
  9. ধর্ম
  10. বিনোদন
  11. মতামত
  12. রাজনীতি
  13. লাইফস্টাইল
  14. শিক্ষা
  15. সম্পাদকীয়

আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে চুয়াডাঙ্গায় “রোবোকোপ টিম” গঠন করলেন এসপি জাহিদ

NAYAN AHMMED
October 4, 2020 12:08 pm
Link Copied!

এম.এ.আর নয়ন/রাসেল হোসেন মুন্না:

এক সময়ের রক্তাক্ত জনপদ চুয়াডাঙ্গা বর্তমানে শান্তির জনপদে পরিণত হয়েছে। বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া আগের মতো রক্ত নিয়ে খেলা এখন আর চুয়াডাঙ্গা জেলায় নাই বললেই চলে। এমন এক সময় গিয়েছে যখন জীবন্ত মানুষকে ইটভাটায় পুড়িয়ে মারা হয়েছে, হত্যা করার পর ভারতীয় ভূখণ্ডে লাশ রাখার পাশাপাশি সীমান্তের তারকাঁটায় ও লাশ ঝুলিয়ে রাখার ইতিহাস আছে এই জেলার মানুষের। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দক্ষতায় সেই সংস্কৃতি এখন আর চুয়াডাঙ্গা জেলায় নাই। কিন্তু রাজনৈতিক দলগুলোর অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে যেকোন সময় চুয়াডাঙ্গায় আবারও হানাহানি সৃষ্টি হতে পারে এমন আগাম সংকেতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যেন বিঘ্নিত না হয় সেজন্য এই “রোবোকোপ টিম” গঠন করা হলো।

কিন্তু কিছু দুষ্কৃিতকারী রামদা ব্যবহারকারী মাঝে মধ্যেই তাদের পুরানো রুপে ফিরে আসে। যা চুয়াডাঙ্গার শান্তি প্রিয় মানুষ কোন ভাবেই কামনা করেনা। আসন্ন পৌর ও ইউপি নির্বাচন, শারদীয় দূর্গাপূজাসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে যেন কোন দাঙ্গা বা মারামারিতে রামদা ব্যবহারের সংস্কৃতি চুয়াডাঙ্গাকে অস্থিতিশীল করে তুলতে না পারে সেই লক্ষ্যে এবং চুয়াডাঙ্গা থেকে চিরতরে রামদা সংস্কৃতি বিলুপ্ত করার জন্য চুয়াডাঙ্গা জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম অভিনব “রোবোকপ টিম” গঠন করেছেন।

রোবোকপ টিম সর্ম্পকে পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম বলেন, চুয়াডাঙ্গাকে দাঙ্গাবাজ, রামদা বাহিনী মুক্ত করতে প্রথমত ১০ সদস্যের “রোবোকপ” টিম গঠন করা হলো। এই টিম বিশেষ ধরণের পোষাক, প্রশিক্ষণ ও অস্ত্রশস্ত্রে সু-সুজ্জিত হয়ে সার্বক্ষণিক জেলা শহরের প্রাণ কেন্দ্রে অবস্থান করবে। কোথাও কোন গোলযোগপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি হলেই এই টিম দ্রুততম সময়ে ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে যে কোন পরিস্থিতিতে বিশেষ করে, দাঙ্গা দমন ও মারামারি চলাকালীন সময়ে ভিকটিম উদ্ধার ও জনমানুষের নিরাপত্তা প্রদানে সক্ষম হবে। পর্যায়ক্রমে প্রত্যেক থানায় এই টিম গঠন করা হবে। এসময় তিনি কঠোর হুশিয়ারী উচ্চারণ করে বলেন, চুয়াডাঙ্গা জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে যা যা করা প্রয়োজন তিনি তাই করবেন। আইন লঙ্ঘনকারী যেই হোক না কেন, আইনের আওতায় এনে তাকে সমুচিত শিক্ষা দেয়া হবে। কাউকে এক্ষেত্রে বিন্দুমাত্র ছাড় দেয়া হবে না।