ঢাকাSaturday , 27 February 2021
  1. অপরাধ-দূনীর্তি
  2. আইন-আদালত
  3. আর্ন্তজাতিক
  4. কৃষি ও অর্থনীতি
  5. খেলাধুলা
  6. চিকিৎসা
  7. জাতীয়
  8. দেশজুড়ে
  9. ধর্ম
  10. বিনোদন
  11. মতামত
  12. রাজনীতি
  13. লাইফস্টাইল
  14. শিক্ষা
  15. সম্পাদকীয়

কেশবপুর পৌরসভা নির্বাচন রবিবার; নৌকা ও ধানের শীষ প্রার্থীর মধ্যেই হবে লড়াই | JN7

Rasel Munna
February 27, 2021 5:38 pm
Link Copied!

জয় নিউজ সেভেন ।। রাত পোহালেই (২৮শে ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে যশোরের কেশবপুর পৌরসভা নির্বাচন। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরাপক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে কঠোর অবস্থানে রয়েছে আইনশৃংখলা বাহিনী। পৌরপিতা নির্ধারণে নৌকা ও ধানের শীষ প্রার্থীর মধ্যেই হবে তুমুল লড়াই।

সিইসি নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ২৮ ফেব্রয়ারি ৫ম ধাপের আওতায় রবিবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে কেশবপুর পৌরসভা নির্বাচন। রাত পোহালেই রবিবার। এই দিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে ভোট গ্রহণ। আচরণ বিধি অনুযায়ী শুক্রবার রাত ১২টায় শেষ হয়েছে প্রার্থীদের সকল ধরনের প্রচার-প্রচারণা। প্রচারণা শেষে প্রার্থীরা ছক কষসে কিভাবে তারা নির্বাচনে বিজয়ী হবেন।

সাবদিয়া ও আলতাপোল ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ-বিএনপির পাল্টাপাল্টি ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ছাড়া কেশবপুর পৌরসভার বাকী ওয়ার্ডগুলোতে শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে প্রার্থীদের প্রচারণা। তবে কেশবপুর পৌরসভা নির্বাচনে প্রত্যেক ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের একাধিক কাউন্সিলর প্রার্থী হওয়ায় ভোটের মাঠে ভোটার উপস্থিতি বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সরকার দলীয় প্রার্থীরা তাদের জয়-পরাজয়ের কথা ভেবে স্ব-স্ব প্রার্থীরা ২৮ তারিখে ভোটার সমাগম বাড়াতে এলাকার ভোটারদেরকে উৎসাহ দেখাচ্ছেন এবং ভোটারদের সকল ধরনের নিরাপত্তার আশ্বাস দিচ্ছেন।

সরেজমিনে কেশবপুর পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের সাধারন ভেটারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, তারা ভোট দিতে আগ্রহী। নির্বিঘ্নে ভোটের মাঠে যাওয়ার পরিবেশ হলে তারা ভোট দিতে যাবেন বলে তারা জানান। তবে প্রার্থী ও আইনশৃংখলা বাহিনীর উপর সম্পূর্নভাবে নির্ভর করছে তাদের ভোটের মাঠে যাওয়ার বিষয়টি। বিভিন্ন জরিপের মাধ্যমে জানাগেছে, কেশবপুর পৌরসভা নির্বাচনে ধানের শীষ ও নৌকার প্রার্থীর মধ্যে মুলপ্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। অবাধ-নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে এই দুই প্রার্থীর মধ্যে তুমুল লড়াই হবে। তবে নৌকা ও ধানের শীষের জয়-পরাজয় নির্ভর করছে দলীয় নারী-পুরুষ কাউন্সিলরদের উপর।

বিএনপি ও আওয়ামী লীগ উভয় মেয়র প্রার্থী দলীয় কাউন্সিলর প্রার্থীদের উপর ভর করে নির্বাচনে জেতার বিভিন্ন কৌশলে সামনে এগুচ্ছে। শুধু মেয়র প্রার্থীরা নয়, অনেক কাউন্সিলর প্রার্থীরাও নৌকা-ধানের শীষকে ব্যবহার করে নির্বাচনে জয়ের পথ খুঁজছে। অপর দিকে পৌর শহরের কোন কোন জায়গায় ইসলামী আন্দোলন মনোনীত হাতপাখা মার্কার প্রার্থী আবদুল কাদেরের পোস্টার চোখে পড়লেও এই প্রার্থীকে কখনো প্রচার করতে দেখা যায়নি।

এ বিষয়ে ধানের শীষ প্রতীকের মেয়র প্রার্থী আব্দুস সামাদ বিশ্বাস অভিযোগ করে বলেন, সরকার দলীয় প্রার্থীর কর্মীরা ধানের শীষের ভোটারদের মাঝে আতংক সৃষ্টি করছে,যাতে তারা ভোট কেন্দ্রে এসে ভোট দিতে না পারে। সেজন্য প্রতিটা ভোট কেন্দ্রে ভোটারদের আসার রাস্তায় ব্যারিকেট দেবে বলে ভয়ভীতি অব্যাহত রেখেছে।তবে ভোটাররা যদি ভোট কেন্দ্রে আসতে পারে তাহলে ধানের শীষের বিজয় সু-নিশ্চিত।

সরকার দলীয় নৌকার প্রার্থী মো. রফিকুল ইসলাম মোড়ল বলেন, পৌরসভা নির্বাচন অবাদ ও সুষ্ঠু হবে। ধানের শীষের প্রার্থীর অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, তার প্রতিপক্ষ প্রার্থী নির্বাচনে পরাজয় বুঝতে পেরে নৌকার কর্মীদের বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যাচার করে যাচ্ছে। তবে তিনি আসা করেন বিগত ৫ বছরে পৌরসভার উন্নয়নের দিকে বিবেচনা করে সবাই নৌকায় ভোট দিয়ে তাকে বিপুল ভোটের মাধ্যমে বিজয় করবেন।

হাতপাখা মার্কার মেয়র প্রার্থী আব্দুল কাদের বলেন, দল আমাকে মনোনয়ন দিয়েছে, তাই ভোটের দিন পর্যন্ত মাঠে থাকব। কেশবপুর উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকতা ও উপজেলা নির্বাচন অফিসার বজলুর রশীদ জানান, ২৮ ফেব্রয়ারি কেশবপুর পৌরসভা নির্বাচনে মেয়রসহ ৩ পদে আওয়ামীলীগ-বিএনপির নারী-পুরুষ সহ মোট ৫৪ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। কেশবপুর পৌরসভার মোট ভোটার সংখ্যা-২০ হাজার ৭শ ৭৫ ভোট। এর মধ্যে নারী ভোটার ১০ হাজার ৫শ ৬৭ ও পুরুষ ভোটার ১০হাজার ২০৮। ভোট কেন্দ্র ১০টি।কেশবপুর উপজেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নির্বাহী অফিসার এম.এম আরাফাত হোসেন জানান, পৌরসভা নির্বাচনে সবগুলো কেন্দ্রে ই্িভএম-এ ভোট হবে। নির্বাচনে সাধারণ ভোটারদের সার্বিক নিরাপত্তা প্রদানে প্রতিটি কেন্দ্রে ৪ জন পুলিশ এবং ৮ জন আনসার ও তাৎক্ষনিক বিচারের জন্য ১ জন ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে। এছাড়া নির্বাচনী মাঠে পুলিশের স্টাফ ফোর্স, র্যাব ও বিজিবির ২টি করে টিমসহ সাদা পেশাকে প্রশাসনের বিভিন্ন টিম কাজ করবে।

রিপোর্ট: আজিজুর রহমান, যশোর।