ঢাকাThursday , 18 March 2021
  1. অপরাধ-দূনীর্তি
  2. আইন-আদালত
  3. আর্ন্তজাতিক
  4. কৃষি ও অর্থনীতি
  5. খেলাধুলা
  6. চিকিৎসা
  7. জাতীয়
  8. দেশজুড়ে
  9. ধর্ম
  10. বিনোদন
  11. মতামত
  12. রাজনীতি
  13. লাইফস্টাইল
  14. শিক্ষা
  15. সম্পাদকীয়

চুয়াডাঙ্গায় অনির্দিষ্টকালের জন্য আইনজীবীদের আদালত বর্জনের সিদ্ধান্ত | JN7

Rasel Munna
March 18, 2021 6:43 pm
Link Copied!

জয় নিউজ সেভেন ।। চুয়াডাঙ্গায় আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও আইনজীবীদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা এবং ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষ একে অপরের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ তুলেছে। বড়ধরনের অঘটন এড়াতে আদালত চত্বরে মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৮ই মার্চ) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত আদালত চত্বর ছিলো উত্তপ্ত।

জানা যায়, চুয়াডাঙ্গার ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ বজলুর রহমানের সাথে তার খাস কামরায় বারের সভাপতি এ্যাড. মোঃ আলমগীর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. তালিম হোসেন ও অন্যান্য আইনজীবীদের সাথে নিয়ে আদালতের নাজির মাসুদুজ্জামানের বদলি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আইনজীবীরা আলোচনা করছিলেন। আলোচনাকালে আদালতের কর্মচারী ও আইনজীবীরা বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন।

ফলে আইনজীবীরা আদালত বর্জন করে বারে জরুরী সভা করেন। সভায় বক্তব্য রাখেন বারের সভাপতি এ্যাড. মোঃ আলমগীর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. তালিম হোসেন, এ্যাড. সেলিম উদ্দিন, এ্যাড. শাহাজান মুকুলসহ অন্যরা। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ বজলুর রহমান, নাজির মাসুদুজ্জামান এবং পেশকার জহুরুল ইসলামের চুয়াডাঙ্গা আদালত থেকে আজীবন অপসারণের দাবীতে অনির্দিষ্টকালের জন্য আদালত বর্জনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

আইনজীবীদের অভিযোগ নাজির মাসুদুজ্জামানকে বদলি করা হলেও তার জায়গায় যার দায়িত্ব পালনের কথা তাকে দায়িত্ব বুঝিয়ে না দিয়ে মাসুদুজ্জামান নিজেই দায়িত্ব পালন করছেন। এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত জেলা জজের খাস কামরায় আইনজীবীদের নিয়ে বৈঠক চলাকালে আদালতের স্টাফরা আইনজীবীদের সাথে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। তবে আদালতের স্টাফদের অভিযোগ আইনজীবীরা নুরুল হককে নাজিরের দায়িত্ব দেওয়ার জন্য ভারপ্রাপ্ত জেলা জজের উপর চাপ প্রয়োগ করেন এবং টেবিলের গ্লাস ভাংচুর করেন।

এতে আদালত চত্বর উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত জেলা জজ মোহাম্মদ মাসুদুজ্জামানের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। বিষয়টির বর্ণনা দিয়ে জেলা জজ স্বাক্ষরিত একটি লিখিত বার্তা বৃহস্পতিবার দুপুরে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল বরাবর পাঠানো হয়েছে।