ঢাকাFriday , 5 February 2021
  1. অপরাধ-দূনীর্তি
  2. আইন-আদালত
  3. আর্ন্তজাতিক
  4. কৃষি ও অর্থনীতি
  5. খেলাধুলা
  6. চিকিৎসা
  7. জাতীয়
  8. দেশজুড়ে
  9. ধর্ম
  10. বিনোদন
  11. মতামত
  12. রাজনীতি
  13. লাইফস্টাইল
  14. শিক্ষা
  15. সম্পাদকীয়

ট্রাফিক আইন না মানায় চুয়াডাঙ্গা জেলার সড়কগুলোতে বাড়ছে দুর্ঘটনার হার | JN7

Rasel Munna
February 5, 2021 8:27 am
Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক।। পূর্বের তুলনায় সাম্প্রতিক সময়ে চুয়াডাঙ্গা জেলার সবধরনের সড়কগুলোতে বেড়ে গেছে দুর্ঘটনার হার। প্রায় প্রতিদিন জেলার সড়কগুলোতে ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। ফলে অকাল মৃত্যুসহ অনেকেই বরণ করছেন পঙ্গুত্ব। আর এসব দুর্ঘটনার জন্য সবচেয়ে বেশী দায়ী চালকদের ট্রাফিক নিয়ম-কানুন মেনে না চলার প্রবণতা। জেলায় চলাচলরত যানবাহনের চালকদের ৮০ ভাগই ট্রাফিক আইন সঠিকভাবে মেনে চলেন না। আর এসব নিয়ম বেশী অমান্য করেন অবৈধ যানবাহন যেমন আলমসাধু, করিমন, পাওয়ারটিলার এবং ইটভাটার কাজে ব্যবহৃত ট্রাক্টর এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ট্রাকের চালকগণ।

আজ শুক্রবার (৫ই ফেব্রুয়ারি) ভোরে চুয়াডাঙ্গা-মেহেরপুর সড়কের ভালাইপুর হাফেজিয়া মাদ্রাসার সামনে মাইক্রোবাস এবং আলমসাধুর মুখোমুখি সংঘর্ষে উভয় গাড়ির চালকই মারাত্মকভাবে আহত হন। ক্ষতিগ্রস্ত হয় মাইক্রোবাস ও আলমসাধু। পুলিশের সহায়তায় তাদেরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিছুদিন আগেও একই সড়কে বেশ কয়েকটি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। সেসব দুর্ঘটনায় বেশকয়েকজন আহত ও নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়।

এছাড়া চুয়াডাঙ্গা জেলা করাগার এলাকার সড়কে স্বামীর মোটরসাইকেল থেকে পড়ে দর্শনা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের এক নারী কর্মচারী নিহত হয়। মোটরসাইকেলের সাথে আলমসাধু ধাক্কায় স্বামী-স্ত্রী নিহত হওয়ার খবর ও সাম্প্রতিক ঘটনা এ জেলার। তবে বর্তমান সময়ে জেলার সবচেয়ে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে চুয়াডাঙ্গার সরোজগঞ্জে। চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা রয়েল এক্সপ্রেস পরিবহনের ধাক্কায় সেই দুর্ঘটনায় আলমসাধুর ১০জনের অধিক যাত্রী নিহত হয়। আর ছোটখাটো দুর্ঘটনা তো প্রতিদিনের নৈমত্তিক ব্যাপার।

সরকার দুর্ঘটনা রোধে নতুন আইন পাশ করলেও কোনভাবেই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হচ্ছেনা সড়কে মৃত্যুর মিছিলের ঘটনা। কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করলে এসব সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে তা নিয়ে গবেষণার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বুয়েটসহ দেশের একাধিক সরকারি এবং বে-সরকারি প্রতিষ্ঠান।

সাধারণ যাত্রীরা মনে করছেন অবৈধ গাড়িগুলোর ট্রাফিক আইন না মানার প্রবণতা, বড় গাড়িগুলোর সড়কে দাপটের সাথে চলা, পরিবহনের চালকদের বিশ্রামের ঘাটতি, উঠতি বয়সী যুবকদের বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালানো, গাড়ির হেডলাইটে সাদা আলোর ব্যবহার এবং সড়কে অতিরিক্ত বাঁকের কারণে ঘটছে এসব দুর্ঘটনা। তারা মনে করেন এসব সমস্যা গুলোর সমাধান করে সকল যানবাহনের চালক যদি ট্রাফিক আইন যথাযথভাবে মেনে চলে তাহলে সড়ক দুর্ঘটনার হার চুয়াডাঙ্গা জেলাসহ দেশের সব অঞ্চলের সড়কগুলোতে দুর্ঘটনার হার অনেক হ্রাস পাবে।

তবে সড়ক দুর্ঘটনা রোধে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে প্রায় প্রতিদিনই সড়কের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। সেইসাথে ট্রাফিক আইন মেনে চলার জন্য চালকদের উদ্বুদ্ধ ও করা হচ্ছে। কিন্তু চালকরা যদি নিয়ম স্বেচ্ছায় মেনে না চলেন তবে কোন আইনই কাজে আসবে না।

সড়ক দুর্ঘটনার সাম্প্রতিক চিত্র।