ঢাকাWednesday , 11 November 2020
  1. অপরাধ-দূনীর্তি
  2. আইন-আদালত
  3. আর্ন্তজাতিক
  4. কৃষি ও অর্থনীতি
  5. খেলাধুলা
  6. চিকিৎসা
  7. জাতীয়
  8. দেশজুড়ে
  9. ধর্ম
  10. বিনোদন
  11. মতামত
  12. রাজনীতি
  13. লাইফস্টাইল
  14. শিক্ষা
  15. সম্পাদকীয়

দামুড়হুদার উত্তর চাঁদপুরে ১৫ বিঘা জমির সবজিক্ষেত বিনষ্ট করেছে দুর্বৃত্তরা – JN7

NAYAN AHMMED
November 11, 2020 6:28 pm
Link Copied!

 

মোঃ মশিউর রহমান তুষার, দামুড়হুদা প্রতিনিধি:


দামুড়হুদায় আবারও আড়াই বিঘা জমির ফলন্ত লাউ গাছসহ ১৫ বিঘা জমির সবজিক্ষেত কেটে দেয়া হয়েছে। গত সোমবার দিনগত রাতের আধারে অজ্ঞাত দূর্বৃত্তরা দামুড়হুদা সদর ইউনিয়নের উত্তর চাঁদপুর গ্রামের মেটেল মাঠের ১৬ জন কৃষকের প্রায় ১৫ বিঘা জমির সবজিক্ষেত কেটে বিনষ্ট করে অজ্ঞাত দূর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছে। বার বার এ ধরণের ঘটনা ঘটিয়ে পার পেয়ে যাওয়ায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে অজ্ঞাত দূর্বৃত্তরা। মাঠের ফসল রক্ষায় কৃষক সংগঠন শক্তিশালী করার পাশাপাশি আলাদাভাবে কৃষি পুলিশ এবং কৃষি আদালত চালু করতে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে জোরদাবী তোলা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল আলীম জানান, এ বছর গ্রামের মেটেল মাঠে ১ বিঘা জমিতে ফুলকপির আবাদ করেন। সোমবার দিনগত রাতে অজ্ঞাত দূর্বৃত্তরা শত্রুতাবশত বেশকিছু কপি গাছ কেটে দিয়েছে। এ ছাড়া একই রাতে ওই মাঠে উত্তর চাঁদপুর গ্রামের জান মোহাম্মদের ছেলে মোহর আালী আড়াই বিঘা জমিতে লাউ চাষ করেছেন। তার আড়াই বিঘা লাউয়ের মধ্যে ১ বিঘা জমির ফলন্ত লাউ গাছ কেটে দেয়া হয়েছে। একই গ্রামের নাজের আলীর ছেলে শহিদুল ইসলামের ১০ কাঠা জমির পেঁয়াজ, ওয়াজ মন্ডলের ছেলে সুলতানের ১০ কাঠা কপি এবং ১ বিঘা জমির পেঁয়াজ, শামসুদ্দিনের ছেলে শরীফ উদ্দীনের ১০ কাঠা জমির কপি, নূর হকের ছেলে রকিব উদ্দীনের ১০ কাঠা জমির ফুলকপি, ইকার আলীর ২ ছেলে আব্দুল মালেকের ৪ কাঠা এবং আব্দুল হাই’র ১৫ কাঠা জমির ফুলকপি, আশকার আলীর ছেলে ওসমান আলীর ১ বিঘা জমির ফুলকপি, ভাদু মন্ডলের ছেলে সাইফুলের ৫ কাঠা জমির ফুলকপি, আব্দুস সাত্তারের ছেলে আব্দুর রহমানের ১০ কাঠা জমির ফুলকপি, আব্দুল লতিফের ছেলে আজিজুলের ৫ কাঠা জমির ফুলকপি, আলী আহাম্মদের ছেলে লাল মোহাম্মদের ১০ কাঠা জমির ফুলকপি এবং ১০ কাঠা পেঁয়াজ, আলম আলীর ২ ছেলে আশানুর এবং আমিনুলের ৪টি করে মোট ৮ টি বেডে দেয়া ফুলকপির চারা, মোসা করীমের ছেলে কালু মিয়ার ১০ কাঠা জমির ফুলকপি এবং সিরাজের ছেলে শহিদুলের ১০ কাঠা জমির ফুলকপি কেটে বিনষ্ট করা হয়েছে। সব মিলয়ে প্রায় ১০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলেও জানান তারা।

দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো: মনিরুজ্জামান দু:খ প্রকাশ করে বলেন, এটা একটা জঘন্যতম কাজ। কৃষি আমুল পরিবর্তণ এবং কৃষির উন্নতি দেখে সহ্য করতে পারছেনা দূর্বৃত্তরা। ইতিপূর্বেও একাধিক বার এ ধরণের ঘটনা ঘটিয়ে পার পেয়ে যাওয়ায় অনেটাই বেপরোয়া হয়ে উঠেছে অজ্ঞাত দূর্বৃত্তরা। মাঠের ফসল রক্ষায় কৃষক পর্যায়ের সংগঠনকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি আলাদাভাবে কৃষি পুলিশ এবং কৃষি আদালত চালু করাটা এখন সময়ের দাবী বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এ বিষয়ে উপজেলা পর্যায়ে একটি রেজুলশেনও করা হয়েছে। ক্ষতি পূরণের বিষয়ে তিনি বলেন, কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্থ চাষিদের প্রনোদনাসহ প্রদশর্ণী প্লট দিয়ে সহায়তা করা হয়ে থাকে। ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের ক্ষতিপূরণ দেয়ার জন্য কৃষি বিভাগের আলাদা কোন ফান্ড নেই। তবে ডিসি এবং ইউএনও পর্যায়ে এলআর ফান্ড আছে। শস্যবীমা চালুর বিষয়ে তিনি জানান, এ ধরণের প্রস্তাবনা আছে। আমাদের মন্ত্রী মহোদয় বিষয়টি নিয়ে তৎপর আছেন। অদুর ভবিষ্যতে চাুল হতে পারে।

দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার দিলারা রহমান জানান, এটাতো কোন প্রাকৃতিক দূর্যোগ নয়। বিধায় এ ধরণের ঘটনায় ক্ষতিপূরণ দেয়ার সুযোগ নেই। তবে প্রাকৃতিক দূর্যোগ হলে এবং সরকার জমি অধিগ্রহন করলে ক্ষতিপূরণ দেয়া হয়ে থাকে।