ঢাকাTuesday , 1 December 2020
  1. অপরাধ-দূনীর্তি
  2. আইন-আদালত
  3. আর্ন্তজাতিক
  4. কৃষি ও অর্থনীতি
  5. খেলাধুলা
  6. চিকিৎসা
  7. জাতীয়
  8. দেশজুড়ে
  9. ধর্ম
  10. বিনোদন
  11. মতামত
  12. রাজনীতি
  13. লাইফস্টাইল
  14. শিক্ষা
  15. সম্পাদকীয়

পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপে স্ত্রী ফিরে পেলো তার স্বামীর সংসার, মেয়ে পেলো বাবার আদর – JN7

NAYAN AHMMED
December 1, 2020 9:43 am
Link Copied!

এ,আর,ডাবলুঃ


চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপে স্বামীর সংসার ফিরে পেয়েছেন রাণী খাতুন। আজ (১লা ডিসেম্বর) মঙ্গলবার ১২টার দিকে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে ‘উইমেন সাপোর্ট সেন্টারের’ মাধ্যমে চুুুুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম এর প্রত্যক্ষ মধ্যস্থতায় ফিরোজ হোসেন তার তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী রাণী খাতুন’কে ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক পুনরায় স্বামীর মর্যাদা প্রদানসহ সংসার করতে সম্মত হয়। ভাঙা সংসার জোড়া লাগিয়ে আবারও চায়ের দোকানের “টক শো”ই পৌর নির্বাচনের আলোচনাকে অবসান ঘটিয়ে প্রধান আলোচনায় চুয়াডাঙ্গার মানবিক পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম।

জানা গেছে, মোছাঃ রাণী খাতুন (৩২), পিতা-মোঃ আব্দুল মজিদ, গ্রাম-ফার্মপাড়া, থানা ও জেলা-চুয়াডাঙ্গা এর সাথে অনুমান ০৭ বছর আগে মোঃ ফিরোজ হোসেন (৩৫), পিতা-মোঃ আব্দুর রহমান, সাং-মাছের দাইড়, থানা ও জেলা-চুয়াডাঙ্গা এর ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক বিবাহ হয়। তাদের সংসার জীবনে ১। মোছাঃ ফারিয়া (৭) ও ২। মোছাঃ রেশমি (০৪) নামের ফুটফুটে দুইটি মেয়ে জন্ম গ্রহন করে। অনুমান ০৩ বছর পূর্বে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। সংসারে চলমান বিরোধ এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, গত ১ মাস আগে মোঃ ফিরোজ হোসেন তার স্ত্রীকে তালাক দিয়ে পিতার বাড়ীতে তাড়িয়ে দেয়। এমতাবস্থায় মোছাঃ রাণী খাতুন তার ০২টি কন্যা সন্তান ও নিজের অসহায়ত্ব থেকে রক্ষা পেতে পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গার নিকট একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। চুয়াডাঙ্গা জেলার পুলিশ সুপার উক্ত অভিযোগটি তার কার্যালয়ে অবস্থিত “উইমেন সাপোর্ট সেন্টার” এ কর্মরত নারী এএসআই (নিরস্ত্র)/মিতা রাণী বিশ্বাস’কে দিলে তিনি উভয় পক্ষকে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে হাজির করেন।

উইমেন সাপোর্ট সেন্টারের মাধ্যমে পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গা জাহিদুল ইসলাম এর প্রত্যক্ষ মধ্যস্থতায় ফিরোজ হোসেন তার তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী রাণী খাতুন’কে ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক পুনরায় স্বামীর মর্যাদা প্রদানসহ সংসার করতে সম্মত হয়। ফলে চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম এর হস্তক্ষেপে ফারিয়া ও রেশমি ফিরে পেল তার বাবার আদর স্নেহ। অন্য দিকে মোছাঃ রাণী খাতুন ফিরে পেল তার সুখের সংসার।