ঢাকাWednesday , 18 November 2020
  1. অপরাধ-দূনীর্তি
  2. আইন-আদালত
  3. আর্ন্তজাতিক
  4. কৃষি ও অর্থনীতি
  5. খেলাধুলা
  6. চিকিৎসা
  7. জাতীয়
  8. দেশজুড়ে
  9. ধর্ম
  10. বিনোদন
  11. মতামত
  12. রাজনীতি
  13. লাইফস্টাইল
  14. শিক্ষা
  15. সম্পাদকীয়

ফ্রি ফায়ার ও পাবজি গেমসে আসক্ত দেশের যুবসমাজ; ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত অভিভাবকরা

NAYAN AHMMED
November 18, 2020 5:17 pm
Link Copied!

 

মোঃ মশিউর রহমান তুষার, দামুড়হুদা প্রতিনিধিঃ


চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলা সহ বিভিন্ন স্থানে ঘুরে দেখা গেছে যে দিন দিন ইন্টারনেট ফাইটিং ফ্রি ফায়ার ও পাবজি গেমসে ঝুঁকছে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। করোনায় সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় অলস সময়ে এ গেমসে জড়িয়ে পড়ছে তারা। জানা গেছে, উঠতি বয়সের শিক্ষার্থীরা ও পুরো যুব সমাজ দিন দিন ফ্রি ফায়ার এবং পাবজি নামক গেমের নেশায় জড়িয়ে পড়ছে। যে সময় তাদের ব্যস্ত থাকার কথা নিয়মিত পড়ালেখা নিয়ে ও খেলার মাঠে ক্রীড়া চর্চার মধ্যে, সেখানে তারা ডিজিটাল তথ্যপ্রযুক্তির এই খেলায় জড়িয়ে পড়ে নেশায় পরিণত করছেন।১০বছর থেকে ২৫ বছরের উঠতি বয়সের যুবকরা প্রতিনিয়ত অ্যান্ড্রয়েড ফোন দিয়ে এসব গেইমে আসক্ত হচ্ছেন। এসব বিদেশী গেম থেকে শিক্ষার্থী বা তরুণ প্রজন্মকে ফিরিয়ে আনতে না পারলে বড় ধরণের ক্ষতির আশঙ্কা দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। ফ্রি ফায়ার গেমসে অনুরাগী অনেকে জানান , ‘ প্রথমে তাদের কাছে ফ্রি ফায়ার গেমস ভাল লাগত না। কিছু দিন বন্ধুদের দেখাদেখি খেলতে গিয়ে এখন তারা আসক্ত হয়ে গেছেন। এখন গেমস না খেলে তাদের অস্বত্বিকর মনে হয়। অনেকে বলেছেন ‘আমি পূর্বে গেমস সম্পর্কে কিছু জানতাম না। এখন নিয়মিত ফ্রি ফায়ার ও পাবজি গেমস খেলি । মাঝে মধ্যে গেমস খেলতে না পারলে মুঠোফোন ভেঙে ফেলার ইচ্ছাও হয় । ফ্রি ফায়ার নামক গেমসকে মাদকদ্রব্যর নেশার চেয়ে ভয়ঙ্কর বলে উল্লেখ করেন স্থানীয় অনেকে।

এই বিষয়ে একজন অভিভাবক জানান, এই সমস্যা থেকে আমাদের সন্তান, ভাই-বোনদের বাঁচাতে হলে অভিভাবকদের পাশাপাশি সমাজের সচেতন মহল, শিক্ষক-শিক্ষিকা, জনপ্রতিনিধি এবং প্রশাসনকে এগিয়ে আসতে হবে। এই মহামারী কে প্রতিরোধ করতে হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোরভাবে পদক্ষেপ নিতে হবে।

অনেকে বলেছেন আমরা আগের সময় অবসর সময়টি খেলার মাঠে গিয়ে বিভিন্ন খেলা ধুলার মধ্য দিয়ে পার করতাম অথবা বিভিন্ন মনিষীদের জীবনী লেখা বই পড়তাম কিন্তু এখনকার যুগে সন্তানদেরকে ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে ভিন্ন চিত্র। দামুড়হুদা উপজেলার গ্রাম-গঞ্জে মোবাইল ইন্টারনেট গ্রুপ গেম মহামারী আকার ধারন করেছে। শিক্ষার্থীরা অনেকে পড়ার টেবিল ছেড়ে খেলছে মোবাইল গেমস, কখনো ইন্টারনেটের খারাপ সাইটে বিভিন্ন ছবি দেখছে। এতে একদিকে তাদের ভবিষ্যৎ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, অন্যদিকে অপরাধ প্রবণতা বাড়ছে। তাই কিশোর-কিশোরীদের মা-বাবাসহ সমাজের সবারই খেয়াল রাখতে হবে, যেন তারা মোবাইল অতিরিক্ত ব্যবহার না করে এবং এসব মোবাইল গেমস যেন না খেলে সে দিকে নজর রাখা।