ঢাকাSunday , 17 January 2021
  1. অপরাধ-দূনীর্তি
  2. আইন-আদালত
  3. আর্ন্তজাতিক
  4. কৃষি ও অর্থনীতি
  5. খেলাধুলা
  6. চিকিৎসা
  7. জাতীয়
  8. দেশজুড়ে
  9. ধর্ম
  10. বিনোদন
  11. মতামত
  12. রাজনীতি
  13. লাইফস্টাইল
  14. শিক্ষা
  15. সম্পাদকীয়

বিজিবি’র অভিযানে ৫ লক্ষ ২০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার – JN7

NAYAN AHMMED
January 17, 2021 7:59 pm
Link Copied!

এম.এ.আর.নয়ন/এম.এইচ.সম্রাট ।। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর অভিযানে ১৫ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা মূল্যমানের ৫ লক্ষ ২০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার হয়েছে। এ সময় ১টি দেশীয় তৈরি বন্দুক, ২ রাউণ্ড কার্তুজ ও ১টি ধারালো কিরিচ উদ্ধার করা হয়। তবে এসব ঘটনার জন্য দায়ী কোন চোরাকারবারিকে আটক করা সম্ভব হয়নি। রবিবার (১৭ই জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ৩টার সময়ে এসব ইয়াবার চালান আটক করা হয়।

বিজিবি জানায়, কক্সবাজার রিজিয়নের আওতাধীন টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) এর অধীনস্ত দমদমিয়া বিওপি’র টহল দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে তাদের দায়িত্বপূর্ণ ওমরখাল এলাকা দিয়ে মায়ানমার হতে নাফ নদী পার হয়ে ইয়াবার একটি বড় চালান বাংলাদেশে পাচার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে৷ এমন সংবাদে বিজিবি’র টহলদল কয়েকটি উপদলে বিভক্ত হয়ে বর্ণিত এলাকার কেওড়া বাগান ও নাফ নদীতে কৌশলগত অবস্থান গ্রহণ করে।

অভিযানকালে রাত আনুমানিক ৩টা ১৫ মিনিটের সময় বিজিবি সদস্যরা নাইট ভিশন ডিভাইস দ্বারা কতিপয় চোরাকারবারিকে হস্তচালিত নৌকাযোগে মায়ানমারের লালদ্বীপ হতে সীমান্তের শূন্যরেখা অতিক্রম করে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে দেখে বিজিবি সদস্যরা স্পিডবোট ও দেশিবোট সহকারে তাদের দু’দিক দিয়ে ঘিরে ফেরে। বিজিবি’র উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা তাদের উপর অতর্কিত গুলিবর্ষণ করলে বিজিবি সদস্যরাও সরকারি সম্পদ এবং জানমাল রক্ষার্থে পাল্টা গুলিবর্ষণ করলে চোরাকারবারিরা নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়ে দ্রুত ভাটার টানে স্থানান্তরিত হয়ে যায়।

পরবর্তীতে বিজিবি সদস্যরা চোরাকারবারিদের ব্যবহৃত নৌকা থেকে ৫টি প্লাস্টিকের বস্তা উদ্ধারপূর্বক বস্তাগুলো তল্লাশি করে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার করে যার পরিমাণ ৫ লক্ষ ২০ হাজার পিস এবং আনুমানিক মূল্য ১৫ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা। এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে ১টি দেশিয় তৈরি বন্দুক (এলজি), ২ রাউণ্ড কার্তুজ এবং ১টি ধারালো কিরিচ উদ্ধার করে।

বর্ণিত এলাকায় ভোর ৬টা পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করা হলেও কোন চোরাকারবারি বা তাদের সহযোগীকে আটক করা সম্ভব হয়নি। সরকারি কাজে বাঁধা প্রদান এবং অবৈধ মাদক পাচারের দায়ে অজ্ঞাত দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে বিজিবি’র পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।