ঢাকাSaturday , 20 February 2021
  1. অপরাধ-দূনীর্তি
  2. আইন-আদালত
  3. আর্ন্তজাতিক
  4. কৃষি ও অর্থনীতি
  5. খেলাধুলা
  6. চিকিৎসা
  7. জাতীয়
  8. দেশজুড়ে
  9. ধর্ম
  10. বিনোদন
  11. মতামত
  12. রাজনীতি
  13. লাইফস্টাইল
  14. শিক্ষা
  15. সম্পাদকীয়

ভাষা শহীদদের প্রতি একুশের ১ম প্রহরে চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের বিনম্র শ্রদ্ধা | JN7

Rasel Munna
February 20, 2021 9:05 pm
Link Copied!

জয় নিউজ সেভেন ।। একুশে ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে রাত ১২টা ০১ মিনিটের সময় চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ চত্বরে অবস্থিত শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়েছে। পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন চুয়াডাঙ্গা জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার মোঃ জাহিদুল ইসলাম ও তার পরিবার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) কনক কুমার দাস, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) জাহাঙ্গীর আলম, সহকারী পুলিশ সুপার দামুড়হুদা সার্কেল আবু রাসেলসহ চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।

এ সময় ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি’ গানের সুর বাজতে থাকে। পুষ্পস্তবক অর্পণের পর পুলিশ সুপার ও অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থেকে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

ভাষা আন্দোলন দমন করতে ১৯৫২ সালের আজকের এই দিনে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান সরকার ঢাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে। ছাত্ররা ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে মিছিল করেন। সেই মিছিলে গুলি চলালে শহীদ হন রফিক, শফিক, সালাম, বরকত, জব্বারসহ নাম না জানা আরও অনেকে। তাঁদের স্মরণেই দেশবাসী শহীদ মিনারের সামনে এসে বিনম্র শ্রদ্ধা জানায়। শ্রদ্ধা-ভালোবাসার ফুলে ছেয়ে যায় শহীদ মিনারের বেদি।

একুশের প্রথম প্রহরে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য শহীদ মিনার এলাকায় চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। শহীদ মিনার এলাকায় সাদা পোষাকে ডিএসবি, ডিবি ও ইউনিফর্ম পরিহিত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। শহীদ মিনারের প্রবেশ ফটকে আর্চওয়ে বসানো হয়েছে। সিসি টিভি ক্যামেরা ও ওয়াচ টাওয়ারে বাইনোকুলার দিয়ে সার্বক্ষণিক তদারকি, হ্যান্ড মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে দর্শনার্থীদের দেহ তল্লাশি ও হ্যান্ডব্যাগ পরীক্ষা করা হচ্ছে।

মহান একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালি জাতীর জীবনে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা। ভাষার দাবিতে পৃথিবীর একমাত্র বাঙালি জাতি প্রাণ দিয়েছেন। অতীত থেকেই আমরা শোষণ এবং বঞ্চনার শিকার। পরবর্তীতে যখন পাকিস্তানি সরকার আমাদের ভাষার উপর আঘাত হানল তখন আমাদের দেশের ছাত্র সমাজ এবং অন্যান্য সকল পর্যায়ের মানুষ সেই দাবি মেনে নেয়নি।

কেননা মাতৃভাষায় কথা বলার দাবি যদি কেড়ে নেওয়া হয় তাহলে কোন জাতি কখনো তা মেনে নিতে পারে না। সেই লক্ষ্যে মাতৃভাষাকে উজ্জীবিত করার জন্য ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি বাংলার দামাল ছেলেরা নিজেদের প্রাণ বিসর্জন করে।

পুষ্পস্তবক অর্পণ করছে চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশ | JN7