ঢাকাWednesday , 30 December 2020
  1. অপরাধ-দূনীর্তি
  2. আইন-আদালত
  3. আর্ন্তজাতিক
  4. কৃষি ও অর্থনীতি
  5. খেলাধুলা
  6. চিকিৎসা
  7. জাতীয়
  8. দেশজুড়ে
  9. ধর্ম
  10. বিনোদন
  11. মতামত
  12. রাজনীতি
  13. লাইফস্টাইল
  14. শিক্ষা
  15. সম্পাদকীয়

শীতে কাঁপছে চুয়াডাঙ্গাবাসী; অব্যাহত রয়েছে শীতবস্ত্র বিতরণ – JN7

NAYAN AHMMED
December 30, 2020 10:15 am
Link Copied!


এম.এ.আর নয়ন / সম্রাট হোসেন:


দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ভারত সীমান্ত ঘেঁষিত ছোট একটি জেলা চুয়াডাঙ্গা। যার পাশ্ববর্তী জেলাগুলো হচ্ছে কুষ্টিয়া, মেহেরপুর ও ঝিনাইদহ। নানা কারণে জেলাটি দেশের অনেক মানুষের কাছেই পরিচিত। বিশেষ করে শীত ও গরম উভয়কালেই একাধিক দিন দেশের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় চুয়াডাঙ্গায়। অর্থাৎ জেলাটিতে গরম যেমন বেশি অনুভূত হয় তেমনি শীত ও তার দাপট দেখায়। গরমকালে তাপমাত্রা বেশি থাকার কারণে গরম বেশি অনুভূত হলেও বিভিন্ন মাধ্যম ব্যবহার করে মানুষজন বাতাসে নিজেদের শরীরকে ঠাণ্ডা করে। কিন্তু শীতকালে পর্যাপ্ত পরিমাণ গরম কাপড় পরিধান করেও শীতের হাত থেকে নিস্তার পাওয়া যাচ্ছেনা। বিগত কয়েকদিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গা জেলায়। তাপমাত্রা নামছে ৭-৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এর কাছাকাছি। সেইসাথে বয়ে যাচ্ছে মৃদু ঠাণ্ডা বাতাস। দিনের বেলা সূর্যের দেখা মিললেও তাপ খুব একটা গায়ে লাগছে না। তবে অন্যবারের মতো কুয়াশা এবার নাই।

শীতে বেশী দুর্ভোগ পোহাচ্ছে অসহায় মানুষ। বিশেষ করে যারা বিভিন্ন রেলস্টেশন, বাসস্ট্যাণ্ডের যাত্রী ছাউনি ও ফাঁকা জায়গায় আশ্রয় নিয়ে রাত অতিক্রম করে। সেই সাথে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে রাত জেগে পাহারার কাজে দায়িত্ব পালন করা বিভিন্ন বাজার, হাট-ঘাট ও সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নাইট গার্ড। গায়ে শীত নিবারণের জন্য গরম কাপড় থাকলেও তাতে শীত নিবারিত হচ্ছেনা। প্রতিরাতে খড় কুটোয় আগুন ধরিয়ে উত্তাপ নিতে দেখা যাচ্ছে অধিকাংশ নাইট গার্ডের। এ বিষয়ে জানতে চাইলে চুয়াডাঙ্গার উথলী বাজার ও বাসস্ট্যাণ্ড মোড়ের নাইট গার্ডের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা জানান, প্রচণ্ড শীতের কারণে মানুষজন ঘরের ভিতর দরজা জানালা বন্ধ করে লেপ, কাঁথা, কম্বল জড়িয়েও শীত অনুভব করছে। কিন্তু আমরা অভাবের কারণে কিছু টাকার জন্য বাইরে ফাঁকা জায়গায় দাঁড়িয়ে বাতাসের সাথে সংগ্রাম করে রাত অতিবাহিত করছি। গরমকালে আমাদের এই ভোগান্তি পোহাতে হয়না।

শীতের প্রচণ্ড দাপটে মানুষের পাশাপাশি কষ্ট পাচ্ছে অবলা প্রাণিগুলো। গৃহপালিত পশু-পাখির জন্য তাদের গেরস্থরা হাল্কা পাতলা ব্যবস্থা গ্রহণ করলেও অন্যান্য পশুপাখিরা রয়েছে চরম বিপদে। তবে মুরব্বিরা বলছেন শীতের সময় শীত একটু না পড়লে প্রকৃতি তার স্বাভাবিক রুপ হারিয়ে ফেলবে। তখন কোন চাষাবাদই ঠিক মতো করা যাবেনা। অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই শীতের দাপট কমে আসবে বলে আশা করছেন চুয়াডাঙ্গা জেলাবাসী। এদিকে শীত নিবারণের জন অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সামাজিক-রাজনৈতিক সংগঠন এবং প্রশাসন।